১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
- ১৩ বছরের আগে শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দিলে বাড়বে ঝুঁকি
- * * * *
- স্মার্টফোনের স্ক্রিনে হারিয়ে যাচ্ছে দাম্পত্যের গল্প
- * * * *
- নেটফ্লিক্সে জিটিএ ৬-এর ‘এক্সটেন্ডেড লুক’, দেখা যাবে না বাংলাদেশে!
- * * * *
- দুই মাসের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধ করতে চায় বিকেএমইএ
- * * * *
- পর্যাপ্ত ঘুমে ঝরবে শরীরের মেদ
- * * * *
১৫ আগস্ট
আগামী ১৫ আগস্ট (শনিবার) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (জেবিএবি) এর দ্বিবার্ষিক সম্মেলন-২০২৬।
সম্মেলনকে ঘিরে মতিঝিলের ব্যাংকপাড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাংকারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
২০২৪ সালের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের যে তালিকা প্রণয়ন করেছিল, তা বহাল রেখেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার।
১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবসের ছুটি ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।
আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, রচনা করা হয় ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছুটি বাতিল হলেও এদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠন
সম্প্রতি ১৫ আগস্টের সাধারণ ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ফলে ওইদিন সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ব্যাংকও জানিয়েছে— আগামী ১৫ আগস্ট স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে সারাদেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আবার উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় ঢাকার ধানমণ্ডিতে একত্রিত হয়ে শ্রদ্ধা জানাতে চায় আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে দলটি যেন কোনো কর্মসূচি পালন করতে না পারে, সেজন্য মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।
১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘটিয়েছিল জিয়াউর রহমান আর বেগম খালেদা জিয়ার জ্ঞাতসারে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ঘটিয়েছিল তারেক রহমান এবং আজকে বিএনপি মানুষ পোড়ানোর রাজনীতি করে।